November 6, 2018

ভারতের প্রথম পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ আইএনএস অরিহন্ত সম্পর্কে জানুন


ভারতের প্রথম পারমাণবিক সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত তার প্রথম গোপন পরিভ্রমণ সম্পন্ন করল।
6,000 টন ওজনের পারমাণবিক সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত প্রায় তিন দশক ধরে ক্রমাগত বিভিন্ন দক্ষ কারিগরী পরীক্ষানিরীক্ষার ফল। ভারতের নিউক্লিয়ার কম্যান্ড অথরিটির বা পারমাণবিক কমিটির আওতায় রয়েছে এই সাবমেরিনটি।
এই পারমাণবিক সাবমেরিনটি এতটাই শক্তিশালী যে, কোনও শহরকে ধ্বংস করার জন্য তা জলের গভীর থেকেই মিসাইল ছুঁড়তে পারবে। মিসাইল ছোঁড়ার পরেও এই সাবমেরিনটি ঠিক কোন স্থানে আছে, তা খুঁজে বের করতে বহু কাঠখড় পোড়াতে হবে। এছাড়া,  পারমাণবিক বোমার আঘাতেও এই অতি শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক সাবমেরিনটির কোনও ক্ষতি হবে না।
পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজের ইঞ্জিনের শব্দ অত্যন্ত কম। ফলে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে খুব নীরবে হানা দিতে পারে। প্রতিপক্ষের রাডারকে ফাঁকি দিতেও এ সাবমেরিনগুলো দক্ষ। ফলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের ভূখণ্ডের কাছাকাছি গিয়ে কোথায় ঘাপটি মেরে অপেক্ষা করতে পারে এসব ডুবোজাহাজ।

ভারতের এই আইএনএস অরিহন্ত থেকে আপাতত দুই রকমের পরমাণু অস্ত্রবাহী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যাবে। ‘সাগরিকা’ এবং ‘কে-৪’। সাগরিকা ৭৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এবং আর কে-৪ ৩৫০০ কিলোমিটার উড়ে গিয়ে পরমাণু হামলা চালাতে পারে।
তবে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন ভারতের হাতে নতুন -এমন নয়। রাশিয়ার কাছ থেকে আগেই আকুলা ক্লাস নিউক্লিয়ার সাবমেরিন লিজ নিয়েছিল ভারত। আইএনএস চক্র নামে সেই পরমাণু শক্তিচালিত রুশ ডুবোজাহাজেই ভারতীয় নৌ বাহিনীর প্রশিক্ষণ হয়।

তথ্যসূত্র~ NDTV, আনন্দবাজার পত্রিকা, Indian Express


No comments:

Post a Comment